বিশ্ব অর্থনীতির সব ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের উত্তাপ। জ্বালানি তেল, সার, ভোজ্য তেল, খাদ্যশস্য, শিশুখাদ্য আমদানি এমনকি সোনার বাজারেও পড়েছে যুদ্ধের প্রভাব। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ যুদ্ধের কারণে পাল্টে গেছে বিশ্ববাণিজ্যের চিত্র। হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধে জাহাজ চলাচল করতে না পারায় প্রভাব পড়ছে জ্বালানি খাতে।
বিশ্ব অর্থনীতি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে প্রতিবেশী যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, সেগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান।
করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে থমকে গেছে বিশ্ব অর্থনীতি। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে ছোট অর্থনীতির দেশগুলো।
২০২৩ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাবে এবং আগামী ৫ বছর প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশ থাকবে বলে জানিয়েছেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিভা।
বিশ্ব অর্থনীতি কি মন্দা না মহামন্দার মুখোমুখি, এ প্রশ্নের জবাব দেয়ার আগে আসুন আমরা দেখি মন্দা ও মহামন্দা কী। সর্বজনীনভাবে যখন একটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) টানা ছয় মাস হ্রাস পায়, তখন এই সময়কালকে অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক মন্দা বলা হয়। জিডিপি প্রবৃদ্ধি শেষ পর্যন্ত নেতিবাচক হওয়ার আগে বেশ কয়েকটি ত্রৈমাসিকের জন্য মন্থর হবে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, মহামারী করোনার কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি মহামন্দার দ্বারপ্রান্তে।
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জারি করা লকডাউন বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ থেকেই ধীরে ধীরে তুলে নেয়া হচ্ছে।